1971 সালের মুক্তিযুদ্ধের শেষ দিনগুলোতে খুলনা জেল

ার একটি ছোট গ্রামে শেখ মোহাম্মদ বিলাস নামে একজন

পরিত্যক্তা স্ত্রী তার বাবার বাড়িতে বসবাস করছিলে

ন। তাঁর স্বামী ঢাকায় স্থায়ী হয়ে গেছেন এবং তাঁ

র ছেলে আহমেদ বিদেশে কাজে ব্যস্ত। বাড়িটি পুরোপুর

ি তাঁর নামে ছিল, কিন্তু সম্পত্তির দাবি জমিদার পর

িবার ও প্রবাসী স্বামী উভয়েই করছিল।

বাবার মৃত্যুর পর বিলাস বাড়িটি ছেড়ে চলে গিয়েছি

লেন এবং এখন তিনি তাঁর নানীর কাছে থাকছিলেন। কিন্ত

ু বাড়িটি বন্ধ ছিল না — মৃত বাবার কাছে বাড়িটি অ

ত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তিনি প্রতি মাসে সেখানে

যেতেন এবং বাড়িটি চালাতেন যেন কিছু হবে না।

একদিন তিনি ফিরে আসার পর দেখেন বাড়ির মধ্যে একটি

অজানা মূর্তি রয়েছে। তা তাঁর বাবার কাছে কখনও ছিল

না, কিন্তু এখন সেটি তাঁর বাড়ির মধ্যে বসে রয়েছ

ে। মূর্তিটি তাঁর বাবার প্রতিমা মনে হয়েছিল, কিন্

তু এটি অসাধারণ ভাবে ভয়ঙ্কর ছিল। তিনি সেটি বাদ দ

েয়ার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু সেটি তাঁর মনে আটকে

গেছে।

বাড়িতে একটি বিচিত্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বাবার ক

াছে তাঁর প্রাণের কাছে যে কথা ছিল, সেটি এখন তাঁর

মনে পড়ে না। তিনি মূর্তিটি ভূতের আতঙ্ক বলে মনে ক

রেন, যে বাবার মৃত্যুর সময় তাঁকে পরিত্যাগ করেছিল

। কিন্তু সে কথা তিনি কখনও বলতে পারেননি।

বাড়িতে আবেগঘন মুহূর্তগুলো চলতে থাকে — বাবার কথা

, মূর্তির কথা, স্বামীর কথা, ছেলের কথা সব একসাথে

তাঁর মনে জড়িয়ে আছে। কিছু দিন পর তিনি মূর্তিটি

এক রাতে কাছে আসেন এবং তাঁর বাবার কাছে তাঁকে বলেন

: "আমি তোমাকে আবার ফিরে পাইনি।" এরপর ত

িনি বাড়ি

ছেড়ে চলে যান, কিন্তু মূর্তিটি তাঁর সাথে ছিল না

— এখন তাঁর মনে ছিল।

তাঁর মৃত্যুর পর বাড়িটি বিক্রি হয়ে যায়, কিন্তু

কেউ মূর্তিটি দেখতে পায়নি। কেউ কখনও তাঁর কথা শু

নতে পায়নি — কেবল তাঁর মনে রয়েছে একটি অজানা অতি

থি এবং একটি ভূতের আতঙ্ক যা তাঁর প্রাণকে চিরতরে আ

বেগঘন করে তুলেছে।