সুবাস খানের বাড়িতে দুটি জমি হারানোর কথা বলা হয়
েছিল। একটি গ্রামীণ ভূমি যা তার পিতার কাছে উপহার
হিসেবে দেওয়া হয়েছিল, আর একটি ঢাকার শহর জমি যাত
ে তার ছেলে শিক্ষিত হতে পারে। কিন্তু জমি বিরোধের
সূত্রপাত হয়েছিল তখন যখন সুবাসের ছেলে আরজাল কালী
ন জমিদার পরিবারের কাছে প্রেমে পড়েছিল।
রক্ষণশীল পিতা সুবাস জানতে পারে যে তার ছেলে পরিবা
রের সাথে সম্পর্ক বিচ্ছেদের জন্য জমি বিনিময় করতে
চায়। সে মনে করে এটি তার পরিবারের ইজ্জতের প্রতি
অপমান। আরজাল কিন্তু জানে যে তার প্রেমিকার পরিবা
র এই জমি বিনিময় করে তার ছেলেকে শিক্ষিত করতে চায
় না — তারা তাকে রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় একটি সু
রক্ষিত জায়গায় নিয়ে যেতে চায়।
এই রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে প্রাচীন শক্তি কাজ কর
ে যে সময় প্রবাসী প্রেম সামাজিক বিচ্ছেদ হিসেবে গ
ণ্য হয়। আরজাল এবং তার প্রেমিকার পরিবার সুবাসের
কাছে প্রতিশোধ চায় — তাদের জমি বিনিময় করতে বাধ্
য করে।
এই সময় সুবাসের প্রাচীন শক্তি যে তার পিতার কাছে
উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছিল, সেটি জমি বিরোধের কে
ন্দ্র হয়ে ওঠে। আরজাল তার পিতার সাথে যুদ্ধে জড়ি
য়ে পড়ে — একটি আবেগঘন যুদ্ধ যার ফলে তার জীবন বি
চ্ছেদের দিকে ঝুঁকে পড়ে।
সুবাস তার ছেলের সাথে সম্পর্ক বিচ্ছেদ করে দেয়। ক
িন্তু তার পরিবারের জমি হারানো হয়। রাজনৈতিক অস্থ
িরতা এবং প্রাচীন শক্তি যুগের এই মাটি থেকে সম্পূর
্ণ বিচ্ছেদের জন্য কাজ করে যে সময় জমি বিরোধ একটি
পরিবারকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়।
আরজাল তার প্রেমিকার সাথে ঢাকায় চলে যায়। কিন্তু
সুবাস তার পিতার জমি হারানোর কারণে স্বয়ং গ্রামে
ফিরে আসে — যেখানে তার ছেলে সে জমি বিনিময় করে ত
ার প্রেমিকার পরিবারের কাছে হারিয়ে যায়।
এই রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে প্রাচীন শক্তি একটি প
রিবারের ভাগ্য বিচ্ছেদের দিকে নিয়ে যায় — একটি আ
বেগঘন যুদ্ধের ফলে পিতা এবং পুরুষ সন্তানের মধ্যে
জমি বিরোধ সমাপ্ত হয়।


