প্রাচীন ঢাকার একটি অবহেলিত গৃহে শুকনো ঝড় বইছে।

এখানে বসবাস করছেন একজন পুরুষ, যিনি দীর্ঘ জীবন ধর

ে একজন ফেরিওয়ালা হিসেবে জীবিকা নির্বাহ করেছেন।

তার মুখে কোনও দুঃখ নেই, কিন্তু চোখে একটা খাঁজ দে

খা যায়—অতীতের অন্ধকার ছাড়া কোনও আলো নেই। একদিন

তিনি একটি পুরানো পত্র পেয়ে যান, যাতে লেখা আছে

একটি পীরের কথা, যিনি একসময় এই ঘরে বসবাস করতেন এ

বং ভূতের আতঙ্ক দূর করার জন্য তাঁর কেরামতি ছিল।

ফেরিওয়ালার হাতে একটি লাল কাঠের টুকরো রয়েছে, যা

তিনি একটি নির্দিষ্ট রাতে একটি বাজার থেকে কিনেছি

লেন। এই টুকরো একটি পীরের পুতুল থেকে আসা বলা হয়ে

ছিল, যার কাছে ভূতের আতঙ্ক দূর করার শক্তি ছিল। তি

নি বিশ্বাস করেন না, কিন্তু তার অস্বাভাবিক জীবনে

তিনি একটি আশ্চর্যজনক পরিবর্তন খুঁজছিলেন—যেখানে স

ত্য আর মিথ্যা মিশে যায়।

একদিন রাতে ঘরটি শুধুমাত্র নীরব নয়, তার মধ্যে এক

টি চিৎকার শুনা যায়। ফেরিওয়ালা তাকান এবং দেখেন

যে ঘরটি এখন একটি ভূত দ্বারা দখল করা হয়েছে। তিনি

জানেন যে এটি একটি পীরের কেরামতি থেকে আসা ভূত হত

ে পারে, যা মানুষের হৃদয়ের সাথে সংঘর্ষ করে এবং ত

াদের আতঙ্ক বাড়িয়ে তোলে। তিনি তাঁর লাল কাঠের টু

করো দিয়ে ভূতের সাথে যুদ্ধ করেন, যা একটি হৃদয়বি

দারক সংঘর্ষে পরিণত হয়।

ভূত তাঁকে পরাজিত করে না, কিন্তু তার মন থেকে একটি

সত্য বাইরে আসে—যে পীর এই ঘরে বসবাস করতেন, তিনি

একজন বিধবা নারীর প্রেম ছাড়া কোনও জীবন নিয়ে না

থাকার কারণে মারা যান। ফেরিওয়ালার মনে একটি শূন্য

তা খুঁজে পাওয়া যায়, যা তার জীবনের সাথে সংঘর্ষ

করে। তিনি আর কোনও ফেরিওয়ালা হিসেবে জীবিকা নির্ব

াহ করতে চান না, বরং তিনি এই ঘরে বসবাস করেন এবং প

ীরের কেরামতি আর ভূতের আতঙ্কের মধ্যে একটি নতুন রহ

স্য তৈরি করেন।