ঢাকার পুরনো একটি বাড়িতে বসে শফিক একটি বুঝি লিখছ
িল। তার হাতে তখন একটি ছবি ছিল — তার মা ও বাবার ছ
বি, যারা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে মারা যান। শফিক ই
ংল্যান্ডে একটি বড় কোম্পানিতে কাজ করতেন, কিন্তু
তার হৃদয় সেখানে ছিল না।
তিন বছর আগে তিনি তার মামা আব্দুল কালামের সঙ্গে এ
কটি মিটিংয়ে যান। মামা তাকে বলেছিল, “শফিক, তোমার
বাবার বন্ধু মুজিবুর রহমানের সঙ্গে আমাদের একটি র
হস্য আছে।” তখন শফিক তা গুরুত্ব দেয়নি, কিন্তু আজ
সে সেই রহস্যে আবার ফিরে এসেছে।
প্রাচীন শহরে একটি অজানা গুপ্ত ধর্মীয় স্থান আছে,
যেখানে বহু বছর আগে মুজিবুর রহমান একটি রহস্যময়
অনুষ্ঠান করেছিলেন। শফিক সেখানে যায় এবং দেখে যে
সেখানে তার বাবার ছবি আছে, যে তাকে সত্য খুলতে বলে
ছিল।
তখন শহুরে একাকীত্ব তার প্রতি ক্রমে জড়িয়ে আসে।
তিনি বুঝতে পারেন যে তার পরিবারের অতীত তাকে চাপ দ
িচ্ছে, কিন্তু সে সেই চাপে ভেঙে পড়তে চায় না। তি
নি সেখানে একটি পুরানো বই খুঁজে পান, যেখানে তার ব
াবা ও মার গল্প লেখা আছে — তার অতীতের পাপ যা তিনি
কখনও বলতে চাননি।
রাতে শফিক তার পরিবারের কাছে সেই বই পাঠ করেন। তখন
তার মা একটি চিঠি তাকে দেখান, যেখানে তিনি তাকে ব
লেছিলেন: “তোমার বাবা কখনও সত্য বলেনি, কিন্তু আমি
জানি তিনি কি করেছিলেন।”
শফিক তখন বুঝতে পারেন যে তার পরিবারের অতীত তার শহ
ুরে একাকীত্বের কারণ। তিনি সেই রহস্য উন্মোচন করেন
এবং তার সত্য জীবনের সাথে সামঞ্জস্য করেন। এই সত্
য তাকে শহরের প্রাচীন শৌখিন জীবন থেকে মুক্ত করেছি
ল।
রোমাঞ্চকর গল্প শেষ হয় একটি বৃহৎ রহস্যের সাথে, য
েখানে শফিক তার অতীত ও শহুরে একাকীত্ব মুক্ত হয়েছ
েন, কিন্তু সেই সত্য তার জীবন থেকে বাদ দেয়নি।


