পাঁচ ভাইয়ের একটি পরিবার রাজশাহী জেলার একটি ছোট
গ্রামে থাকত। গ্রামের পুরো উত্তর দিকে একটি পুরানো
ধোঁয়ার পীরের আসর ছিল, যেখানে বছরে একবার জুলুফ
উৎসব হত। এই পীর স্থানীয় মানুষের মধ্যে মুখর ছিল,
কিন্তু তাঁর নাম কেউ জানত না, কেবল তাঁর মুখোশ দে
খে চিনত। পরিবারের পুরুষ মুহাম্মদ সিদ্দিক তাঁর ভা
ই আবদুল কালামের বিরুদ্ধে প্রথম খুন করে দেয়, যখন
তিনি ঢাকায় একটি ব্যবসা শুরু করেছিলেন এবং গ্রাম
ের সম্পত্তি বাড়িয়ে তুলতে শুরু করেছিলেন।
পীরের আসরে মুহাম্মদ সিদ্দিক একটি রহস্যময় পীর দে
খতে পান, যিনি তাঁর ভাইয়ের বিশ্বাসঘাতকতার জন্য দ
ায়ী হওয়ার জন্য পরিবারকে চুপ করিয়ে রাখেন। গ্রা
মীণ ঐতিহ্য অনুযায়ী পীর একটি প্রাচীন শক্তির প্রত
ীক হিসেবে চিহ্নিত হন, যিনি ভাইয়ের বিশ্বাসঘাতকতা
দ্বারা নিজেকে সংরক্ষণ করতে চান। পরিবারের সবাই ত
খন বুঝতে পারেন যে ভাইয়ের বিশ্বাসঘাতকতা না করলে
পীরের শাসন থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে না।
আবদুল কালাম তখন ঢাকায় অবসর গ্রহণ করেন, কিন্তু ম
ুহাম্মদ সিদ্দিক তাঁর নিজের পরিবারের সম্পত্তি পুন
রুদ্ধারের জন্য তাঁর প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করেন। পীরে
র আসর থেকে একটি সাদা পাতা পাওয়া যায়, যাতে লেখা
ছিল: "ভাইয়ের বিশ্বাসঘাতকতা পীরের ক্ষমা হারিয়ে
যায়।" এই পাতা পরিবারের মধ্যে আবেগঘন বিচ্ছেদ সৃ
ষ্টি করে।
গ্রামের ঐতিহ্য এখন অন্য রূপ ধারণ করে, কারণ পীরের
শাসন সংস্কৃতির অস্তিত্ব পরিবর্তন করে। পরিবারের
সদস্যদের মধ্যে ভাইয়ের বিশ্বাসঘাতকতা না করার চেষ
্টা করা হয়, কিন্তু তা সম্ভব হয় না। আবেগঘন পরিব
ার নাটক এখন শেষ হয় একটি নৈর্ব্যক্তিক সিদ্ধান্তে
র সাথে — পীরের কাছে যাওয়া হয় না, কারণ তিনি এখন
পরিবারের পক্ষে সংক্ষিপ্ত করে দেন।


