ঢাকার পুরনো বাড়িগুলোর মধ্যে প্রাচীন শৈলীর একটি
বাড়ি ছিল জমিদারি উত্তরাধিকারের সঙ্গে জড়িত। এখা
নে বসবাস করতেন অসহায় বিধবা রূপা, যিনি তাঁর স্বা
মীর পরিবারের পরিস্থিতি হারিয়েছিলেন। তিনি প্রাচী
ন আইনের মাধ্যমে নিজের জমি রক্ষা করতে চান, কিন্তু
জমিদারি পরিবারের নতুন সদস্য তাঁর দাবি খারিজ করে
দেয়।
রূপা তাঁর মাঠে একটি পুরনো কুঁড়ে ঘর খুঁজে পান, য
েখানে তাঁর স্বামী ছিলেন এবং একটি গোপন ভালোবাসার
রহস্য লুকানো ছিল। তিনি নানা ঝুঁকি নিয়ে সেই কুঁড
়ে ঘর খুলে দেখেন এবং তাঁর স্বামীর প্রাচীন পত্রপত
্রিকা খুঁজে পান, যা তাঁর জমি নিয়ে সম্পর্কিত একট
ি রহস্য খুলে দেয়।
রূপা সেই রহস্য ব্যবহার করে জমিদারি পরিবারের বিরু
দ্ধে লড়াই করেন, এবং নস্টালজিক মুক্তিযুদ্ধের গল্
প ও প্রাচীন আইনের মাধ্যমে তাঁর জমি ফিরে পান। তাঁ
র মাঠের প্রতিটি কুঁড়ে ঘর ও গাছপালা তাঁর মুক্তিয
ুদ্ধের স্মৃতি ও জমিদারি উত্তরাধিকারের প্রতি তাঁর
অসহায় বিধবা জীবনের প্রতি স্পর্শ বহন করে।
এক দিন তিনি জমিদারি পরিবারের সদস্যদের মধ্যে একটি
গোপন ভালোবাসার রহস্য খুলে দেখেন, যা তাঁর জমি ও
জীবনের প্রতি তাঁর অসহায় বিধবা সংগ্রামের সঙ্গে জ
ড়িত। তিনি একটি নস্টালজিক গ্রামীণ জীবন পুনরুদ্ধা
র করেন এবং তাঁর জমি ও পরিবারকে পুনরুদ্ধার করেন।


