ঢাকার একটি অপেক্ষাকৃত শান্ত গলির শেষে অখণ্ড জমিদ

ারি জমি ছিল, যা দুই ঘন্টার চালে ফেলা হয়েছিল। এর

মালিক ছিলেন মুহাম্মাদ আলী, যিনি সেই মুহূর্তে ঢা

কায় থাকার সুযোগ ছাড়া পাকিস্তানে প্রবাসে ছিলেন।

তাঁর ভাই রফিক এই জমি দখল করে নেয়ার চেষ্টা করছি

ল, যে বিষয়টি তাঁর প্রবাসী জীবনের মধ্যে একটি বিশ

্বাসঘাতকতার সূত্র ধরে পরিণত হয়।

অনেক সময় পরে, জমিদারি জমির একটি পুরানো মন্দিরে

রাতে একটি ক্রুদ্ধ ভূত দেখা যায়, যা মুহাম্মাদ আল

ীর পরিবারের অতীত সম্পর্কে কথা বলে। এই ভূত তাঁর প

্রবাসী জীবনের সাথে যুক্ত ছিল, এবং তাঁর ভাই রফিকে

র প্রতি তার অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে।

মুহাম্মাদ আলী একটি সিদ্ধান্ত নেয় — তিনি জমি দখল

ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেন এবং ভূতের সাথে যুদ্ধ করব

েন। এই যুদ্ধ তাঁর পরিবারের সঙ্গে একটি গভীর সম্পর

্কের বিষয়টি উন্মোচন করে, যা তাঁর জমিদারি উত্তরা

ধিকারের পরিপ্রেক্ষিতে স্থায়ী হয়।

তিনি ভূতকে আপন জমির জন্য আত্মসম্মান খুঁজে পান, য

া তাঁর প্রবাসী জীবনের পরিপ্রেক্ষিতে অস্বীকৃত হওয

়া কথা ছিল। জমিদারি জমি ও ভূতের সাথে তাঁর যুদ্ধ

একটি নস্টালজিক স্মৃতি সৃষ্টি করে, যা তাঁর জীবনের

একটি নতুন পর্বে পরিণত হয়।

এই জমিদারি জমি আর ভূতের মধ্যে যুদ্ধ পরিণত হয় এক

টি পরিবারের মধ্যে সংঘর্ষ এবং একটি প্রবাসী পুরুষে

র আত্মসম্মান পুনরুদ্ধারে। এটি একটি ঐতিহাসিক সময়

ে ঘটে, যখন জমিদারি পরিবর্তনের সাথে সাথে পরিবার ও

সমাজের মধ্যে বিভাজন ঘটে।