মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি আবার উঠে এলো গ্রামের পাহাড়
ে একটি ঘরে। ভণ্ড সাধু বিছানায় বসে নিজের বাবার ন
ামে লেখা একটি চিঠি খুঁজছিল। সে মনে করে যে সেটি ত
ার বাবার বাড়িতে গেলে কিছু খুঁজে পাবে। কিন্তু চি
ঠি খুঁজতে খুঁজতে সে বাবার কথা মনে পড়ে যায়— যে
কোন দিন একটি বাড়িতে ঢুকে কোন কিছু খুঁজছিল বলে গ
্রামের লোকেরা তাকে ভণ্ড বলে কথা বলে।
চিঠি খুঁজতে খুঁজতে সে একটি সুরাহার মানুষের সঙ্গে
দেখা হয়। সে জানতে পারে যে সে বাড়িটি এখন কারো
নয়, কিন্তু কোন মানুষ এখন সেখানে থাকে না। সে বাড
়িতে ঢুকে পড়ে এবং একটি গোপন ঘরে একটি পুরুষের ছব
ি দেখে। সে ছবি তার বাবার মতো দেখায়। কিন্তু সে ব
াবার কথা মনে করে না, কারণ সে একটি পুরুষ হিসেবে জ
ন্ম নেয়নি।
চিঠি খুঁজতে খুঁজতে সে একটি অপরাধের বিষয় জানতে প
ারে— যে বাড়িটি মুক্তিযুদ্ধে কোন বিশেষ মানুষের স
ঙ্গে জড়িত ছিল। সে চিঠি খুঁজতে খুঁজতে একটি কাগজে
একটি নাম দেখে, যেটি তার বাবার নামের সাথে মিলে য
ায়। কিন্তু সে বাবার সাথে কোন সম্পর্ক নেই।
সে বাড়িতে ফিরে আসে এবং একটি মানুষের সামনে চিঠি
খুঁজতে থাকে। সে মানুষটি জানতে পারে যে সে বাড়িটি
এখন কারো নয়, কিন্তু কোন মানুষ এখন সেখানে থাকে
না। সে বাড়িতে ঢুকে পড়ে এবং একটি গোপন ঘরে একটি
পুরুষের ছবি দেখে। সে ছবি তার বাবার মতো দেখায়। ক
িন্তু সে বাবার কথা মনে করে না, কারণ সে একটি পুরু
ষ হিসেবে জন্ম নেয়নি।
সে চিঠি খুঁজতে খুঁজতে একটি অপরাধের বিষয় জানতে প
ারে— যে বাড়িটি মুক্তিযুদ্ধে কোন বিশেষ মানুষের স
ঙ্গে জড়িত ছিল। সে চিঠি খুঁজতে খুঁজতে একটি কাগজে
একটি নাম দেখে, যেটি তার বাবার নামের সাথে মিলে য
ায়। কিন্তু সে বাবার সাথে কোন সম্পর্ক নেই।
সে বাড়িতে ফিরে আসে এবং একটি মানুষের সামনে চিঠি
খুঁজতে থাকে। সে মানুষটি জানতে পারে যে সে বাড়িটি
এখন কারো নয়, কিন্তু কোন মানুষ এখন সেখানে থাকে
না।


