১৯৭১ সালের পর ঢাকার বাইরে একটি ছোট গ্রামে কাজ কর

ে রহিম নামে এক ঋণগ্রস্ত কৃষক পরিবারের সদস্য। তার

পিতা জমিদারের জমিদারি সংক্রান্ত রেকর্ড হারিয়ে

যাওয়ার কারণে কাজে পড়ে গেছে। তার স্ত্রী অসুস্থ

হয়ে পড়েছে, আর ছেলেটি ঢাকায় পড়াশোনা করছে। এই

অবস্থায় রহিম ঢাকায় চাকরি খুঁজতে আসে।

ঢাকার মধ্যে একটি পুরনো বাড়িতে তিনি কাজ করতে শুর

ু করেন। বাড়িটি জমিদারের পরিবারের আসবাব ভরা, কিন

্তু সেখানে কোনও জমিদার বা তাঁর পরিবার নেই। বাড়ি

টি পরিচালনা করছেন একজন পুরুষ বৃদ্ধ যার নাম কাজী

আব্দুল্লাহ। তিনি ঘোষণা করেন যে বাড়িটি তাঁর জন্ম

গৃহ এবং জমিদারের পতনের সময় এখানে একটি রহস্যময়

ঘটনা ঘটেছিল।

রহিম বাড়িটির আসবাব পরীক্ষা করতে শুরু করে। তিনি

একটি লোহার বাক্স খুঁজে পান যেখানে জমিদারের পতনের

সময় বন্দী করা হয়েছিল একজন প্রবাসী প্রেমিকের চ

িঠি রয়েছে। চিঠি থেকে জানা যায় যে জমিদার তাঁর প

্রেমিকের সাথে একটি মুক্তিযুদ্ধের গল্প ছিল এবং তা

র কারণে জমিদারের পতন ঘটে।

রহিম এই রহস্যের সমাধান খুঁজতে শুরু করে। তিনি কাজ

ী আব্দুল্লাহর সাথে বারবার কথা বলেন এবং তাঁর সাথে

ঘনিষ্ঠ হয়ে পড়েন। কাজী তাঁকে জানান যে তিনি সেই

প্রবাসী প্রেমিকের পরিবারের একজন পুত্র। তিনি জমি

দারের পতনের সময় তাঁর প্রেমিককে বাঁচানোর চেষ্টা

করেছিলেন কিন্তু তা সম্ভব হয়নি।

রহিম জানতে পারেন যে জমিদারের পতনের সময় বাড়িটি

একটি ভূতের উপন্যাসের মতো ছিল। সেখানে বারবার ভূতে

র দৃশ্য দেখা যায়। রহিম একটি মুক্তিযুদ্ধের গল্প

শুনে বুঝতে পারেন যে জমিদারের পতন সেই প্রবাসী প্র

েমিকের কারণে ঘটেছিল।

রহিম এই সব তথ্য বাড়িতে প্রকাশ করেন এবং কাজী আব্

দুল্লাহ তাঁকে বাড়িটি হস্তান্তর করেন। রহিম এখন ব

াড়িটির মালিক হন এবং তাঁর পরিবার আর কোনও ঋণ বা দ

ুঃখ থেকে মুক্ত হয়। রহিম এখন জমিদারের পতনের সত্য

জানতে পেরে শহুরে একাকীত্ব থেকে মুক্ত হন।