মুক্তিযুদ্ধের পর একটি ছোট গ্রামে আবহাওয়া বদলে য
ায়। গৃহস্থ পরিবার ছাড়া অপর কোনও আশ্রয় না পেয়
ে প্রবাসী স্বামী রফিক ঢাকা থেকে ফিরে আসে। তার মা
য়ের পাশে একটি অজানা অতিথি হিসেবে তাকে দেখা যায়
— তার ভাই মুহাম্মদ যে আগে থেকে মুক্তিযুদ্ধে আহত
হয়েছিল, তার কাছে থেকে বেঁচে থাকা একটি অস্পষ্ট
চিঠি আসে।
রফিক মায়ের কাছে নতুন কথা নিয়ে আসে: বাংলার ভাষা
ও সংস্কৃতি সংরক্ষণ করা আধুনিকতার বিরুদ্ধে নয়,
বরং তা সংস্কারের একটি মূল অংশ। তার মায়ের চোখে ত
া বিস্ময় দেখা যায়, কারণ তিনি তাঁর পুরো জীবন জু
ড়ে এই বিষয়টি অন্য রকম দেখে আসছিলেন। রফিক একটি
নতুন উদ্যোগ শুরু করে: গ্রামের শিশুদের জন্য ভাষা
ও ঐতিহ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
আধুনিকতা বনাম সংস্কার এই বিষয়টি পরিবার মধ্যে বি
তর্কের সূত্রপাত করে। রফিকের স্ত্রী জুনোয়ারা তার
নতুন ধারণার বিরুদ্ধে অবস্থান নেন — তিনি মনে করে
ন এটি বিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষা সংগঠন হিসেবে আর
ও বড় অংশ বাড়ানো দরকার। কিন্তু রফিক তার আশাবাদী
দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখেন এবং একটি বিশেষ কাজ শুরু
করেন — গ্রামের মাঠে মাটি থেকে মাটি ভাষা শিক্ষার
ক্লাস শুরু করেন।
এই কাজটি অনেক কাছে এসে পৌঁছায়, যখন একটি বৃহৎ অঞ
্চলের শিশুদের মধ্যে এই পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়। ক
িন্তু একটি অস্পষ্ট ঘটনা ঘটে: একজন প্রবাসী মহিলা
এসে পৌঁছায় যিনি একটি প্রবাসী প্রেম ও আধুনিকতার
বিরুদ্ধে সংস্কার সম্পর্কে অস্পষ্ট কথা বলেন। রফিক
এই অজানা অতিথির কাছে সাহায্য চান, কিন্তু এটি তা
র পরিবার ও গ্রামের মধ্যে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করে।
অবশেষে রফিক একটি সিদ্ধান্ত নেন — তিনি তার পরিবার
ও গ্রামের মধ্যে এই সংস্কার ও আধুনিকতার মধ্যে এক
টি নতুন শক্তি আনেন যা তার পরিবারের মধ্যে একটি পর
িবর্তন ঘটায় এবং একটি সম্ভাবনা দেখায় যে এই দুটি
মূল্য একসাথে বিদ্যমান হতে পারে।


