1980এর দশকের শেষের দিকে ঢাকার একটি ছোট পাড়াতে র
াজিয়া নামে এক বিধবা মা তার ছোট নাতি ফারুককে তার
জীবনের একটি গুপ্ত রহস্য খুঁজতে বাধ্য করে। ফারুক
একদিন তার পুরনো বাড়ির তলায় একটি প্রাচীন বাক্স
খুঁজে পায়, যাতে একখানা লেখা রয়েছে—"নদীগর্ভে ব
াড়ি"। রাজিয়া বুঝতে পারে এটি তার পিতার অতীতের এ
কটি রহস্যময় ঘটনা নির্দেশ করছে।
ফারুক ও রাজিয়া তাদের বাড়ির নদীর তীরে গিয়ে খুঁ
জতে থাকে, যেখানে একটি পুরনো চর রয়েছে। সেখানে তা
রা একটি পুরনো পাথরের পাড়া খুঁজে পায়, যার মধ্যে
একটি নির্মাণ ছাড়া স্থান রয়েছে যেখানে প্রায় শ
ত বছর আগে একটি বাড়ি ছিল। রাজিয়া বুঝতে পারে এটি
তার পিতার পিতার সময় একটি স্নেহময়ী শাশুড়ি কর্
তৃক নির্মিত ছিল, যার কাছে তার পরিবার আসল সম্পত্ত
ি হারিয়েছিল।
তারা সেখানে একটি পুরনো পুস্তক খুঁজে পায়, যেখানে
একটি অসাধারণ পরিবারের ইতিহাস লেখা রয়েছে—এক পুর
ুষ যিনি তার শাশুড়ির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিলেন এ
বং তার পরিবারকে স্বাধীনতার স্বপ্নে নিয়ে গিয়েছি
লেন। রাজিয়া বুঝতে পারে তার পরিবার তখন থেকে এই র
হস্য লুকিয়ে রেখেছিল, কারণ এটি তাদের সামাজিক মর্
যাদা বিপজ্জনক করতে পারে।
ফারুক একদিন একটি ভূতের আবির্ভাবে পড়ে যায়, যা ত
াকে একটি দুঃসহ সত্য দেখায়—তার পিতা এই স্থানে তা
র শাশুড়িকে হত্যা করেছিলেন কারণ তিনি তার স্বাধীন
তার স্বপ্নকে ধ্বংস করতে চাইছিলেন। রাজিয়া সেই সত
্য স্বীকার করে এবং ফারুককে বলে যে তার পরিবার এই
রহস্য নিয়ে কখনও সত্য প্রকাশ করবে না। তবুও তিনি
সেই স্থান থেকে একটি পুরনো চাবি নিয়ে আসেন, যা এক
টি অসাধারণ সম্পত্তি খুলতে পারে।
ফারুক এখন নিজের জীবনের জন্য একটি নতুন সত্য খুঁজছ
ে, যা তার শহুরে একাকীত্ব থেকে তাকে মুক্ত করতে পা
রে। রাজিয়া তার পুরনো জীবনের রহস্যকে স্বীকার করে
এবং নতুন সত্য সামনে রাখেন। সেই দিন থেকে ফারুক ত
ার শহুরে একাকীত্বের সাথে প্রতিযোগিতা করতে শুরু ক
রে।


