১৯৮০এর দশকের মধ্যভাগে ঢাকার একটি চাকরির ঘরে সুফি

য়া নামে এক বিধবা মহিলা তার ছেলে মোহাম্মদ খানকে

স্থায়ী হিসেবে বিলাতে চলে যাওয়ার সময় বাড়ি ছেড

়ে দেয়। ছেলেটি কখনও ফিরে আসেনি, কিন্তু তার বাড়

ি অবশেষে তার মামা কাজী আহমদ কে কাছে আনা হয়, যিন

ি প্রবাসী মুদ্রার উপর ভর করে বাড়িটি বিক্রি করে

দেয়।

সুফিয়া জানে যে তার ছেলে এখন ইংল্যান্ডে বসবাস কর

ছে এবং তার সঙ্গে তার মামা কোনও সম্পর্ক রাখে না।

তার বাড়িটি বিক্রি হওয়ার সময় তিনি একটি ছোট বাক

্স বাদ দেন — যাতে তার ছেলে ছোট ছিল সেই সময় থেকে

তার সাথে আছে। বাক্সটি তার মামা পেয়ে যায় এবং ত

ার কাছে রাখে, যার মধ্যে একটি ছবি আছে যেখানে তার

ছেলে তার বাবা এবং মায়ের সাথে একটি চর পার হচ্ছে।

এক দিন সুফিয়া মৃত বাবার কবর দর্শনের জন্য স্থানী

য় একটি পুরানো গ্রামে যান, যেখানে তার পিতা একজন

ক্রুদ্ধ ভূতের কাছে মৃত্যু বরণ করেছিলেন। গ্রামে ত

ার ছেলে মোহাম্মদ খানের কাছে কোনও সম্পর্ক নেই, কি

ন্তু তিনি জানতে চান যে কী কারণে তার পিতা মারা গে

ছেন।

গ্রামের মুলত একটি জমিদারি কাহিনি চলছে — যেখানে ত

ার পিতা জমিদার ছিলেন এবং একটি ক্রুদ্ধ ভূতের সাথে

ঝগড়া করেছিলেন। সেই ভূত তার পিতাকে মারে এবং এখন

সেই ভূত তার ছেলে মোহাম্মদ খানের দিকে দৃষ্টি দেখ

াচ্ছে।

সুফিয়া গ্রামে ফিরে আসেন এবং মোহাম্মদ খানের সাথে

একটি সাক্ষাৎকারে প্রবেশ করেন, যেখানে তিনি জানতে

চান যে কী কারণে তার পিতা মারা গেছেন এবং কী করা

যেতে পারে এই ভূতকে শান্ত করার জন্য। মোহাম্মদ খান

তার মামার কাছে থাকা ছবিটি দেখায়, যাতে তার পিতা

এবং মায়ের সাথে একটি চর পার হওয়ার ছবি আছে।

সুফিয়া সেই ছবি দেখে বুঝতে পান যে তার পিতা চরটি

পার হওয়ার সময় একটি ভূতের কাছে মারা গেছেন। সেই

ভূত তার পিতাকে ক্ষমা করতে চায় না কারণ তিনি একটি

সংস্কার ভাঙ্গার জন্য তার পিতাকে মারেন। সুফিয়া

সেই ভূতের কাছে ক্ষমা চায় এবং তার ছেলে মোহাম্মদ

খানকে প্রবাসে ফিরে আসতে বলেন, যাতে তিনি তার পিতা

র কাছে ক্ষমা চাইতে পারেন।

সুফিয়া তার ছেলেকে ফিরে আসতে বলেন এবং তার বাড়িট

ি আবার তার হাতে আসে। একটি প্রবাসী প্রেম তার ছেলে

ও মায়ের মধ্যে জন্মায়, যেখানে তারা আধুনিকতা ও

সংস্কারের সংঘর্ষের মধ্যে একটি সমাধান খুঁজে বার ক

রে।

সুফিয়া তার ছেলেকে প্রবাস থেকে ফিরে আসতে বলেন এব

ং তার ছেলে তার পিতার কাছে ক্ষমা চায়, যেখানে সেই

ভূত তার ক্ষমা দেয় এবং তার পরিবারকে শান্তি দেয়

। সুফিয়া এখন স্বাধীন হয়ে উঠেন, এবং তার ছেলে তা

র মায়ের কাছে আসে।