১৯৮০এর দশকে ঢাকার একটি ছোট বাড়িতে হাসিনা নামে এ

ক বিধবা নারী তার খালুর সঙ্গে থাকে। খালু একজন পুর

ানো জমিদার পরিবারের লোক, যার কাছে নানান গোপন রহস

্য লুকিয়ে আছে। হাসিনা একদিন খালুর কাছ থেকে একটি

পুরানো মুদ্রা পায়, যার উপরে একটি বৌদ্ধ মন্দিরে

র ছাপ রয়েছে। খালু বলে, এটি তার পিতার জমিদারীর দ

িনে মুদ্রিত ছিল।

এই মুদ্রাটি হাসিনার জীবনে একটি আস্ফালন শুরু করে।

তার পুলিশ কর্মকর্তা ভাই রফিক একদিন এই মুদ্রা দে

খে এবং তার মধ্যে একটি ধর্মীয় রহস্য বুঝতে পারে।

তিনি বুঝতে পারেন যে এটি একটি অপরিচিত বৌদ্ধ ধর্মী

য় রহস্যের সাথে জড়িত। রফিক তখন স্থানীয় একটি পি

রের কাছে যান, যিনি বৌদ্ধ ধর্ম ও ইসলামের মধ্যে সং

যোগ বুঝতে পারেন। পির বলেন, এই মুদ্রা প্রকৃতপক্ষে

একটি ধর্মীয় বিভ্রান্তির চিহ্ন, যা ১৯৭১ সালের ম

ুক্তিযুদ্ধের সময় বিভিন্ন ধর্মীয় গোষ্ঠী মধ্যে ব

িভ্রান্তি তৈরি করেছিল।

হাসিনা ও রফিক একসাথে এই রহস্য সমাধানে লিপ্ত হন।

তারা খুঁজতে থাকেন একটি অপরিচিত বৌদ্ধ মন্দিরের অব

স্থান, যেখানে এই মুদ্রা তৈরি হয়েছিল। তাদের খুঁজ

ে পাওয়া মন্দিরটি বর্তমানে একটি ধর্মীয় বিভ্রান্

তির কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল। সেখানে তারা দেখতে পান য

ে একটি পরিবার এই মন্দিরটি ধ্বংস করেছে এবং তাদের

পরিবারের ঐতিহ্য এখনও এই ধর্মীয় বিভ্রান্তির সাথে

জড়িত।

রফিক সিদ্ধান্ত নেন যে এই ধর্মীয় বিভ্রান্তি প্রক

াশ করা হবে এবং তার সত্য জানা হবে। তিনি স্থানীয়

সংবাদমাধ্যমে এই ঘটনাটি প্রকাশ করেন, যার ফলে বিভি

ন্ন ধর্মীয় গোষ্ঠী মধ্যে বিরোধ শুরু হয়। হাসিনা

তখন নিজেকে নিজের ঐতিহ্য ও ধর্মীয় অনুশাসনের মধ্য

ে জড়িয়ে পড়ে এবং একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন— তি

নি নিজেকে নতুন করে গঠন করতে চান একটি সংস্কৃতির ম

ধ্যে যেখানে ধর্ম ও ঐতিহ্য একসাথে চলতে পারে।

রফিক তখন একটি আবেগঘন সংঘর্ষের মধ্যে পড়েন যার ফল

ে তিনি নিজের জীবন ও কর্তব্যের মধ্যে বিভ্রান্ত হন

। তার সামনে একটি সংঘর্ষ খুলে যায় যেখানে ধর্ম ও

ন্যায় একসাথে বিশ্বাস করা যায় না। কিন্তু তিনি এ

ই সংঘর্ষের মধ্যে নিজেকে নতুন করে গঠন করতে চান এব

ং তার সত্য জানা হয় যে ধর্মীয় অনুশাসন ও ঐতিহ্য

একসাথে চলতে পারে।