বাংলাদেশের ঢাকা শহরের একটি চাকরির ঘরে আরেকটি বিয
়ে হয়। কন্যা কামাল খানের বউ হয় একজন ভারতীয় প্
রবাসী সুনীতা দাস। কামালের বাবা মুহাম্মদ খান স্থা
নীয় গোষ্ঠীর মানুষ, তিনি সামাজিক কলঙ্কের প্রতি ক
ঠোর দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে চলেন। সুনীতা একজন ছোট বিদ্
যালয়ের শিক্ষিকা, কিন্তু তাঁর পরিবারের ইতিহাস আছ
ে যা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় অতীতের পাপ হি
সেবে চিহ্নিত।
পরিবারের অন্য সদস্যদের মধ্যে সুনীতার প্রতি বিরোধ
িতা উঠে যখন মুহাম্মদ খান সুনীতার পরিবারের ইতিহাস
জানতে পারেন। তিনি সামাজিক কলঙ্ক হিসেবে এই বিষয়
টিকে দেখেন, যা তাঁর পরিবারের মর্যাদার জন্য অপরিহ
ার্য ঝুঁকি হিসেবে দেখেন। এই ঝুঁকি তাঁর মনে বিষণ্
ণ অস্বস্তি জাগায় এবং তিনি কন্যাকে স্বামী থেকে ব
িচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করেন।
সুনীতা কামালের প্রতি সম্পূর্ণ আস্থা রাখেন এবং তা
ঁর সাথে মুহাম্মদ খানের ঝগড়া বৃদ্ধি পায়। সমাজ এ
ই ঘটনাটিকে সামাজিক কলঙ্ক হিসেবে গ্রহণ করে এবং মু
হাম্মদ খানের পরিবারের সাথে দূরত্ব বাড়ায়। কামাল
এবং সুনীতা তাদের প্রেম ও পরিবারের দুই মুখ মধ্যে
বিষণ্ণ দ্বন্দ্বে পড়ে যায়। এই বিষণ্ণ দ্বন্দ্ব
সমাজের একটি গুরুতর সমস্যা হিসেবে দেখা যায় যা মু
ক্তিযুদ্ধের অতীতের পাপ ও আধুনিক জীবনের সামাজিক ক
লঙ্কের মধ্যে চাপা পড়ে।
সমাজ এই বিষয়টি সম্পূর্ণ সমাজ নির্মাণের কারণ হিস
েবে দেখে এবং এটি একটি স্মৃতিকথা হিসেবে সংরক্ষণ ক
রে যা পরবর্তী প্রজন্মের জন্য শিক্ষা হিসেবে কাজ ক
রে।


