বাংলাদেশের একটি প্রাচীন গ্রামে, মুক্তিযুদ্ধের আগ
ের দিনগুলো এখনও ছায়াপাত করে আছে। এখানে বাস করে
একজন অভিশপ্ত জমিদার পরিবারের নারী, তার নাম রুবাই
য়া। তার পিতা একসময় জমিদার ছিলেন, কিন্তু ভূমি আ
ইনের আওতায় তার জমি হারিয়ে গিয়েছিল। রুবাইয়া শ
িক্ষিত হয়েছিল কিন্তু কোনও কাজে বসতে পারেনি, তার
শিক্ষা তাকে কোনও সুযোগ দেয়নি।
তার পিতা আগে থেকে একজন পীরের সাথে ঘনিষ্ঠ ছিলেন।
তিনি একটি অপরিচিত পীরের কেরামতি খুঁজে পেয়েছিলেন
, যা তার জমি ফিরিয়ে দিতে সাহায্য করতে পারে। রুব
াইয়া এই কেরামতি খুঁজে পাওয়ার জন্য সেই পীরের কা
ছে যায়। পীর তাকে একটি বিশেষ স্থানে যেতে বলেন, য
েখানে জমি ফিরিয়ে দেয়ার জন্য একটি রহস্যময় প্রক
্রিয়া চালানো হবে।
রুবাইয়া সেই স্থানে যায়, কিন্তু সেখানে তাকে অপে
ক্ষা করছে একটি বিপজ্জনক সত্য। পীরের কেরামতি শুধু
মাত্র তার পিতার ভূমি ফিরিয়ে দেয়ার জন্য নয়, তা
র পরিবারের কুকৃত্য উন্মোচন করে দেয়ার জন্যও ছিল।
এই কেরামতি অনেক কিছু খুলে দেয় যা রুবাইয়া কখনো
জানতে চায়নি।
রুবাইয়া তার সত্য জানার পর নিজের মনে বিশ্বাস হার
িয়ে ফেলে। তার পরিবার যে অতীতে কী করেছিল, সে কথা
তার কাছে এখন নতুন। কিন্তু সে সেই কেরামতি করতে চ
ায় না। সে বরং তার নিজের জীবনের স্বাধীনতা পুনরুদ
্ধার করতে চায়, নিজের মুখে কথা বলতে চায়, নিজের
জীবন বাঁচাতে চায়।
সে পীরের কাছে ফিরে যায়, কিন্তু এবার সে কোনও কের
ামতি চায় না। সে নিজের জীবন নিয়ে একটি নতুন যাত্
রা শুরু করে। তার শিক্ষা এবং বেকারত্ব এখন তার সাম
নে একটি নতুন সুযোগ হয়ে ওঠে, এবং সে একটি শিক্ষাম
ূলক কাজে যুক্ত হয়। সে নিজেকে নতুন করে গঠন করে এ
বং তার পরিবারের অতীত নিয়ে সত্য কথা বলে।
রুবাইয়া তার সত্য প্রকাশ করার পর, তার গ্রামের মা
নুষ তাকে নিয়ে অনেক কথা বলে। কিন্তু সে সেই কথা ভ
ুলে যায় না, কারণ তার অতীত এখন তার জীবনের একটি অ
ংশ হয়ে গেছে। সে তার নিজের সত্য নিয়ে মুক্ত হয়ে
ছে, এবং তার জীবনের একটি নতুন পর্ব শুরু হয়েছে।


