গাছপালা ঝুলন্ত ঘরে মুন্না দেবী তার জমি ও জমিদারি
উত্তরাধিকার বাঁচাতে অবাক হয়ে থাকে। তার মৃত স্ব
ামী তাকে শুধু জমি ছেড়ে দিয়ে গেছেন — তার পরিবার
ও জমিদারি আজ বিভিন্ন প্রবাসী ও বিদ্রোহী হাতে বি
ভক্ত। গ্রামের লোকে মুন্না দেবীকে সম্মান করে না,
তার জমি চুরি করে নেয় এবং তার বাড়ি দখল করে নেয়
।
তখন একটি ক্রুদ্ধ ভূত মুন্না দেবীর গ্রামে আসে। এট
ি একজন পুরানো জমিদারের ভূত, যে তার পরিবার ও জমি
হারানোর কারণে ক্রুদ্ধ। ভূতটি গ্রামে আতঙ্ক ছড়িয়
ে দেয় — জনতা চুপ করে থাকে, কোনও কথা বলে না, কোন
ও চাকর কাজ করে না। মুন্না দেবী জানে যে এই ভূতটি
তার জমিদারি উত্তরাধিকার বাঁচানোর সবচেয়ে বড় বাধ
া হতে পারে।
তিনি গ্রামের একজন পিরের কাছে যান, যিনি ভূত পরিচা
লনা করতে পারেন। পির মুন্না দেবীকে বলেন যে ভূতটি
তার জমি ফিরিয়ে দেবে যদি সে সেই জমি কোনও বাহুবলে
বা অপরাধে দখল করে না হয়। মুন্না দেবী জানে যে ত
ার জমি আসলে সেই জমিদারের ছিল, যার ভূত এখন তার মু
খোমুখি হয়েছে।
শেষ রাতে মুন্না দেবী ভূতটিকে ডাকে। সে তার স্বামী
ও জমিদারি উত্তরাধিকার বাঁচানোর জন্য তার মৃত জমি
দারের কাছে আহ্বান জানায়। ভূতটি তার প্রাণ কেড়ে
নেয়, কিন্তু জমি ফিরিয়ে দেয়। এই বিষয়টি গ্রামে
ছড়িয়ে পড়ে এবং মুন্না দেবী তার জমিদারি উত্তরা
ধিকার ফিরিয়ে পায়।
গ্রামের লোকে তখন মুন্না দেবীকে আবার সম্মান করতে
শুরু করে। তার জমি ফিরে আসে এবং জমিদারি উত্তরাধিক
ার স্থায়ী হয়ে যায়। ক্রুদ্ধ ভূতটি তার আত্মাকে
শান্ত করে দেয় এবং গ্রামের আতঙ্ক শেষ হয়ে যায়।
মুন্না দেবী তখন জানে যে তার জমিদারি উত্তরাধিকার
সত্যিই তার হাতে আছে।
স্মৃতিকথা এখন তার জমিদারি উত্তরাধিকারের অংশ হয়ে
যায় — এটি তার জীবনের নস্টালজিক বাঁধন হয়ে থাকে
।


