রাজশাহীর একটি ছোট গ্রামে, নারী রানু তার পরিত্যক্

তা জীবনের অন্ধকারে ঢুকে পড়ে। তার স্বামী ঢাকায়

একটি দোকান চালায় এবং তার কাছে তার সম্পূর্ণ সম্প

র্ক ছিল না। তার ছেলে মুক্তিযুদ্ধের সময় মারা যায

় এবং তার মায়ের মৃত্যু ঘটে কিছু বছর আগে। এখন তি

নি কেবল তার মামার বাড়িতে বসে থাকেন এবং দিনগুলি

কাটান একটি পুরানো ফোটো সংগ্রহে।

একদিন তিনি একটি বৈরাগী পুরোহিতের কাছে যান, যিনি

তার মায়ের বাড়িতে একটি পুরানো কাঠের খুঁটির কাছে

একটি দুর্গ প্রতিমা দেখতে পান। সেখানে একটি রহস্য

ময় পত্র খুঁজে পান, যা 1971 সালের একটি বিদ্রূপাত

্মক ঘটনা সম্পর্কে বলে। সেই ঘটনাটি ছিল তার মায়ের

বাড়ির একটি নির্মম হত্যা — যার মধ্যে তার মায়ের

নামও ছিল।

রানু তখন সেই পত্রটি নিয়ে তার স্বামীকে খুঁজে বার

করে। কিন্তু সে তার মায়ের মৃত্যুর কারণ খুঁজে বা

র করতে চায়, নয় তার স্বামীর প্রতি অসন্তুষ্টি। ত

িনি সেই ঘটনার সত্য সনাক্ত করতে শুরু করেন, যা তার

মায়ের জীবনে একটি মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কিত রহস্য ব

ুঝতে সাহায্য করে। তিনি বুঝতে পারেন যে তার মায়ের

বাড়ি ছিল একটি জমিদারি যার পরিবার মুক্তিযুদ্ধে

একটি সৈন্য হিসাবে কাজ করেছিল।

রানু তখন একটি নির্মম ঘটনা উন্মোচন করে যা তার স্ব

ামী এবং তার পরিবারের সঙ্গে একটি বড় সংঘর্ষ ঘটায়

। তিনি তার মায়ের জীবনের রহস্য উন্মোচন করে একটি

নতুন সত্যের মুখোমুখি হন — যেখানে শহুরে একাকীত্ব

তার জীবনের সব কিছুকে বিদ্রূপ করে। তিনি বুঝতে পার

েন যে তার জীবনে সবকিছু কেবল একটি স্মৃতিকথা ছিল,

যা তার অতীত থেকে তাকে বাঁচিয়ে রেখেছিল।