বাগেরহাটের একটি ছোট গ্রামে রূপমতী শেখ তার বিবাহব

িচ্ছেদের পর মায়ের বাড়িতে আশ্রয় নেয়। তার বিবা

হবিচ্ছেদ ঘটেছিল ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়, য

খন তার স্বামী ঢাকায় জাতীয় সংগ্রামে অংশ নিয়েছি

ল এবং তার পরিবার গ্রামে প্রত্যাবর্তন করেছিল স্বা

মীকে খুঁজে পাওয়ার জন্য। সে খুঁজে পায়নি।

গ্রামে তার আবাসনটি এখন তার ভাইয়ের কাছে রয়েছে।

তিনি তাকে দূরে ঠেলে দেয় বলে দেয় যে তার স্বামী

সেখানে আর কখনো ফিরবে না। রূপমতী সেই বাড়ি ফিরিয়

ে আনার জন্য স্থানীয় লোকেদের কাছে তথ্য খুঁজে বার

করে, কিন্তু তারা তাকে সামাজিক বয়কটের মধ্যে ফেল

ে দেয়। তার স্বামী বাড়ি ছেড়ে যাওয়ার সময় তার

মায়ের সাথে কোনো সম্পর্ক ছিল না বলে জানা যায়, য

া গ্রামে তাকে আরও অপরিচিত করে তোলে।

একদিন তিনি গ্রামের পুরানো পুস্তকাগারে তার স্বামী

র একটি পত্র খুঁজে পায়, যেখানে তিনি লিখেছিলেন যে

তিনি গ্রামে ফিরে আসবেন এবং তার মাবাবা তাকে অপেক

্ষা করছেন। পত্রটি তার মায়ের হাতে লিখিত ছিল, যা

তার বিবাহবিচ্ছেদের পর তিনি কখনো জানতেন না।

গ্রামের মানুষ তাকে আরও বেশি বয়কট করতে শুরু করে,

কারণ তার স্বামী সেখানে ফিরে আসবে বলে তার আশা কর

ার কারণ তারা মনে করে না। কিন্তু রূপমতী তার স্বাম

ীর চিঠি বাড়ির জমি ফিরিয়ে আনার জন্য সামাজিক বয়

কটের মধ্যে সামাজিক আলোচনা শুরু করে। গ্রামে তার ক

থা প্রচার হয়, এবং তার স্বামীর পরিচয় জানা যায়

যে তিনি প্রকৃতপক্ষে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন

এবং তার মায়ের হাতে তার চিঠি ছিল তার শেষ সংক্ষিপ

্ত সংবাদ।

রূপমতী তার স্বামীর চিঠি বাড়ির জমি ফিরিয়ে আনার

জন্য সামাজিক বয়কট পরিবর্তন করে দেয়, এবং গ্রামে

একটি সম্পূর্ণ নতুন সামাজিক মানদণ্ড তৈরি হয়। তি

নি তার স্বামীর চিঠি সংগ্রহ করে একটি গ্রামীণ গ্যা

লারি খুলে দেন, যেখানে মুক্তিযুদ্ধের গল্পগুলি প্র

দর্শিত হয় এবং সামাজিক বয়কট তৈরি হয় যে স্বামী

এবং স্ত্রী পরিত্যক্তা হয়েও পরিবার পুনরুদ্ধারের

চেষ্টা করে।

গ্রামে তার প্রতি আস্থা ফিরে আসে, এবং তিনি নিজের

স্বামীর স্মৃতিকথা প্রকাশ করে নস্টালজিক ভাবে একটি

মুক্তিযুদ্ধের গল্প তৈরি করে।