ঘুমানো গ্রামের প্রাচীরে ঝুলছিল মুক্তিযুদ্ধের একট
ি কাহিনি। গাছপালা এখনও রক্ষণশীল ছিল, কিন্তু মাটি
কাজ করছিল না। মুহাম্মদ আলম তখন জমিদার ছিলেন, যদ
িও পাঁচ বছর আগে সে নিজেই মুক্তিযুদ্ধে জখম হয়ে প
ড়েছিলেন। তার পরিবারের প্রতিটি সদস্য সে কাহিনি ব
াদ দিয়েছিল, কিন্তু তিনি বাদ দিতে পারেননি।
তিনি ডাক্তার নূর জাহানের সাথে দেখা করেন, যিনি তা
র স্ত্রী ছিলেন। নূর জাহান বছর দুয়েক আগে মারা গে
ছেন, কিন্তু তার সঙ্গে তার একটি ছোট বাচ্চা ছিল যা
কখনও তার পরিবারে ফিরে আসেনি। মুহাম্মদ আলম একটি
পুরানো বৈঠক খুঁজতে শুরু করেন, যেখানে তিনি নূর জা
হানকে শেষ দেখেছিলেন।
তিনি ঢাকার একটি পুরানো বাড়িতে গিয়ে দেখেন যে সে
খানে একটি ছোট বাচ্চা জন্ম হয়েছে। বাচ্চাটি তার চ
েহারা ছিল নূর জাহানের মতো। বাচ্চাটি একটি ছদ্মবেশ
ী প্রতিশোধ চালাচ্ছিল, কারণ তার জন্মের পর থেকে সে
তার বাবা কে খুঁজে পাচ্ছিল না। মুহাম্মদ আলম তখন
বুঝতে পারেন যে সে সেই গোপন সন্তান।
সে তার সাথে বাড়ি ফিরে আসে, কিন্তু তার পরিবার তা
কে আশ্রয় দেয় না। তার স্ত্রী বলেন, এটা পরিবারের
গোপন রহস্য ছিল, আর তার পুত্র ছিল সেই রহস্যের অং
শ। মুহাম্মদ আলম তখন তার পরিবারের বিরুদ্ধে একটি আ
শাবাদী প্রতিশোধ চালাতে শুরু করেন, যার মধ্যে সে ত
ার নারী ও স্মৃতিকথার সাথে একটি নতুন সম্পর্ক তৈরি
করেন।
তিনি একটি পুরানো ছবি পান, যেখানে নূর জাহান আর তা
র ছোট বাচ্চাকে দেখা যায়। সে তখন বুঝতে পারেন যে
সে একটি স্মৃতিকথার অংশ হয়ে গেছেন, একটি পরিবারের
ছায়া হয়ে গেছেন, এবং একটি গোপন সন্তানের জন্মের
সাথে একটি আশাবাদী প্রতিশোধ শুরু হয়েছে।


