বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার একটি চর থেকে আসা একটি

নারী মাঝে মাঝে নদীর তীরে বসে তার ছেলেকে দেখতে আ

সত। ছেলেটি ঢাকায় পড়াশোনা করছিল, এবং তার পিতা এ

কজন দুর্নীতিবাজ নেতা ছিল, যে তার পরিবারের মাটি ও

মানুষকে ক্ষমতার লড়াইয়ে ব্যবহার করত। নদীর উপরে

তার পরিবারের ঘর ছিল, যেটি নদীগর্ভে বাড়ি নামে প

রিচিত ছিল — একটি পুরানো পরিবারের ইতিহাস যেটি নদী

র জলে মুখ দেখায়।

তার পিতা একটি বড় ভূমিদার ছিল এবং তিনি ক্ষমতার ল

ড়াইয়ে প্রতিপক্ষ গোষ্ঠীকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য

তার পরিবারের মাটি ও নাম ব্যবহার করতেন। নদীগর্ভে

বাড়ি এখন পর্যটনের কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল, কিন্তু ত

ার মাটি ক্ষমতার লড়াইয়ে চুরি করা হয়েছিল। এই সত

্যটি প্রকাশ করার চেষ্টা করা হয়েছিল কিন্তু তা বা

ধা পেয়েছিল ক্ষমতার মাধ্যমে।

নদীর তীরে বসে নারীটি তার ছেলেকে জিজ্ঞাসা করেন: “

আমাদের মাটি কে নিয়ে গেল?” ছেলেটি চুপ করে থাকে।

কারণ তিনি জানতেন যে তার পিতা নারীর সাথে বিবাহ কর

ে ছেলেটিকে বাচানোর জন্য তার পরিবারের মাটি ক্ষমতা

র লড়াইয়ে ব্যবহার করছিল। এই সত্যটি নদীর জলে ডুব

ে যায়, কিন্তু এটি স্মৃতিকথা হিসাবে থাকে — যেটি

আবেগঘন ও ক্ষমতার লড়াইয়ের মধ্যে প্রতিফলিত হয়।

নদীগর্ভে বাড়ি এখন নদীর জলে মুখ দেখায়, কিন্তু ত

ার মাটি ও মানুষ ক্ষমতার লড়াইয়ে চুরি করা হয়েছি

ল। এই সত্যটি নদীর পানিতে ডুবে যায়, কিন্তু এটি এ

খনও স্মৃতিকথা হিসাবে থাকে। এই গল্পটি আবেগঘন এবং

ক্ষমতার লড়াইয়ের মধ্যে রয়েছে — একটি নারীর দুর্

নীতিবাজ নেতার বিরুদ্ধে লড়াই।